Templates by BIGtheme NET
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

অ্যারেঞ্জ ম্যারেজে যে বলিউড তারকারা

বিনোদন ডেস্ক: অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ? জীবনসঙ্গী স্বর্গ থেকে তৈরি হয়ে আসে। মানে, আপনার সঙ্গে কার বিয়ে হবে, তা ঈশ্বরের কাছে আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। প্রত্যেক নারী-পুরুষই তার জীবনসঙ্গীকে নিয়ে ছেলেবেলা থেকে একটা স্বপ্ন দেখে থাকেন। বর্তমান প্রজন্মের যুবক-যুবতীরা পরিবারের পছন্দের ছেলেমেয়ের পরিবর্তে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে বেশি পছন্দ করেন।

বলিউড দুনিয়ায় শব্দ দু’টি কেমন যেন ভিনগ্রহের মতো। কখনও সেই সম্পর্ক পরিণতি পায় ছাতনাতলায়, কখনও মিলিয়ে যায় তার আগেই। কিন্তু বি-টাউনে ব্যতিক্রমের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। পরিবারের পছন্দতেই এদের প্রেম ও বিয়ে। গুছিয়ে সংসারও করছেন তারা।

মাধুরী দীক্ষিত-শ্রীরাম মাধব নেনে
সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর আমেরিকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন মাধুরী। সেখানেই প্রবাসী চিকিৎসক শ্রীরাম নেনের সঙ্গে তার পরিচয় করে দিয়েছিলেন নায়িকার ভাই অজিত দীক্ষিত। পরিবারের সকলেরই পছন্দ ছিল নেনেকে। সম্পর্ক বিয়ের পিঁড়ি অবধি গড়াতে বেশি সময় নেয়নি।

রাজ কপূর-কৃষ্ণা রাজ কপূর
কৃষ্ণাবাস রাজ কপূরের সঙ্গে সম্বন্ধ করে বিয়ে হয়েছিল রাজ কপূরের। রাজের বাবা পৃথ্বীরাজ কপূরের এক দুরসম্পর্কের কাকার মেয়ে ছিলেন কৃষ্ণা।

রাকেশ রোশন-পিঙ্কি
জনপ্রিয় পরিচালক-প্রযোজক জে ওম প্রকাশের মেয়ে পিঙ্কি। পরিবারের তরফেই দেখাশোনা করে বিয়ে হয়েছিল রাকেশ-পিঙ্কির।

বিবেক ওবেরয়-প্রিয়ঙ্কা আলভা
ঐশ্বর্য্য রাইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুজব নিয়ে বহু দিন সরগরম ছিল বলি পাড়া। শেষমেশ অবশ্য সম্বন্ধ করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন বিবেক। যদিও একটি সাক্ষাৎকারে নিজেই স্বীকার করেছিলেন ‘অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ’-এর জন্য প্রস্তুত ছিলেন না তিনি। তবে প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পর ‘অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ’ সম্বন্ধে ধারণা বদলান বিবেক।

নীল নিতিন মুকেশ-রুক্মিনী সহায়
ঢাক ঢোল বাজিয়ে সদ্য চার হাত এক হয়েছে এই যুগলের। রীতিমতো সম্বন্ধ করেই রুক্মিনীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল বলিউডের স্টাইল হাঙ্ক নীলের। প্রথম দিকে কিন্তু সম্বন্ধ করে বিয়েতে মোটেই রাজি ছিলেন না নীল। তবে রুক্মিনীর সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পর আর অমত করেননি।

শাহিদ কপূর-মীরা রাজপুত
বলিউডের ‘কিউটেস্ট কাপল’-এর তকমাটা তাদের দেওয়া যায় অনায়াসেই। বেশ কয়েকটি সিনে প্রেমের পর অবশেষে সম্বন্ধ করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন শাহিদ। শাহিদ ও মীরার পরিবার একই সৎসঙ্গের সদস্য। সেখান থেকেই আসে বিয়ের সম্বন্ধ। কিন্তু নিজের থেকে ১৪ বছরের ছোট মীরাকে বিয়ে করতে প্রথমে একটু দোটানায় ভুগছিলেন শাহিদ। পরে অবশ্য সেই বিভ্রান্তি কাটিয়ে মীরাকেই বিয়ে করেন তিনি।

ধনুশ-ঐশ্বর্যা রজনীকান্ত
মেয়ের জন্য সুপাত্র খুঁজছিলেন সুপারস্টার রজনীকান্ত। জনপ্রিয় তামিল পরিচালক-প্রযোজক কস্তুরি রাজার ছেলে ধনুশকে পছন্দ হয় তার। অমত হয়নি পাত্র-পাত্রীরও। অতএব শুভস্য শীঘ্রম। ২০০৪-র ১৮ নভেম্বর চার হাত এক হয় এই যুগলের।

অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ বা পরিবারের পছন্দে বিয়ে করা নিয়ে ছেলে-মেয়ে দুজনের মনেই নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। ছেলেদের তুলনায় মেয়ের প্রশ্ন একটু বেশিই থাকে।পরিবারের প্রত্যেকের মতামত নিয়ে হয়। অ্যারেঞ্জ ম্যারেজের ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রী উভয়কেই পরিবারের সমস্ত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হয়। পরিবারের সমস্ত সদস্যের সঙ্গে আলাদা একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই বিয়ের ফলে দুটো পরিবারের মানুষ একসঙ্গে তাদের আবেগ অনুভূতি সুখ দুঃখ ভাগ করে নেন।