Templates by BIGtheme NET
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

বিএনপির সংসদীয় দলের প্রধান হচ্ছেন হারুন

পিপলস ভয়েস ডেস্ক:
শপথ গ্রহণের পালা শেষ, এখন সংসদে ভূমিকা রাখার পালা। দলের একাধিক সদস্য সংসদে থাকলে নিজেদের মধ্যে একটা গ্রুপ তৈরি হয়ে যায়। যে কোন বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সংসদে কে কবে কি বলবে, সেসব বিষয় চূড়ান্ত করে থাকেন। বিশেষ করে সরকারের বিরোধী পক্ষ।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন অর্জনকারী দল সরকারের বিরোধী পক্ষে থাকে। এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন অর্জন করায় জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের আসনে রয়েছে।

এরপর তৃতীয় স্থানেই রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তথা বিএনপি। দলটির নির্বাচিত ছয় এমপির মধ্যে পাঁচজন শপথ নিয়েছেন। একজন এখনো বাকি রয়েছে। অন্যদিকে তাদেরই শরিক দল গণফোরামেরও দুজন সদস্য সংসদে রয়েছে। সংসদে কাগজে কলমে জাতীয় পার্টি বিরোধী দল হলে মূলত ফোকাস থাকবে বিএনপির দিকে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিএনপির ৪ জন সদস্য শপথ গ্রহণের পর তাই আলোচনা উঠেছে কে হচ্ছে বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা। কে হচ্ছেন তাদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য। যদিও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ না নেওয়ায় নিজেদের মধ্যে এক ধরনের মৌনযুদ্ধ চলছে।

শপথ নেওয়া বিএনপির ৫ সদস্যের তিনজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাতীয়তাবাদী সংসদীয় গ্রুপ নামে একটি গ্রুপ তারা সংসদে গঠন করতে যাচ্ছে। তবে সেই দলের প্রধান কে হবেন সেটা অপেক্ষা করছে দলীর সিদ্ধান্তের ওপর।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিএনপির বর্তমান এমপিদের মধ্যে উকিল আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী সংসদীয় দলের নেতা কে হবে, সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আমরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে সংসদে এসেছি। নিজেদের মধ্যে আলাপ করার সুযোগ পাইনি। আমরা সবাই বসে আলাপ-আলোচনা করেই ঠিক করব।’

সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ বলেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাকে দায়িত্ব (সংসদীয় নেতার) দিয়েছেন। তাছাড়া আমি চারবারের এমপি। বর্তমানে যারা সংসদে আসছেন তাদের মধ্যে আমি সিনিয়র। কাজেই আমিই হব জাতীয়তাবাদী সংসদীয় দলের নেতা। তবে এটা দলীয় সিদ্ধান্তেই সবাই বসে ঠিক করব।’

অপর সংসদ সদস্য আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে আমরা যে কয়েকজন এমপি তাদের মধ্যে হারুনুর রশিদ ভাই আমাদের মুখপাত্র। মহাসচিব আসলে তিনি হবেন। এখন হারুন ভাই যেটা বলবেন সেটাই হবে, আমি হারুন ভাই এর কাছে যাচ্ছি।’

এদিকে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাতে সংসদ অধিবেশনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসনটি শূন্য ঘোষণা করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এতে মির্জা ফখরুলের সামনেও এখন সংসদে যাওয়ার সুযোগ থাকছে না।