Templates by BIGtheme NET
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
‘একটা ঘটনার জন্য ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা যৌক্তিক নয়’

‘একটা ঘটনার জন্য ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা যৌক্তিক নয়’

অনলাইন রিপোর্ট::
একটা ঘটনার জন্য ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা যৌক্তিক নয়। রাজনীতি একটা প্রশিক্ষণের বিষয়। এটা ছাত্ররাজনীতি থেকে তৈরি হয়। তবে বুয়েট চাইলে সেখানে রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের কোনো অঙ্গসংগঠন নয়, ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন।

বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নিজে ছাত্ররাজনীতি করে আজকের এ অবস্থানে এসেছি। ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে কেন? এটা তো স্বৈরশাসকরা করে। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাস ছাত্র রাজনীতি থেকেই। তবে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাইলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে।

এ দিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত দুই দিন ধরে উত্তাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। হত্যাকারীদের বিচারসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনে মাঠে নেমেছেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরতদের দাবির মধ্যে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিও রয়েছে।

বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ড ঘিরে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা নিয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ছাত্ররাজনীতি জড়িত। কিছু ঘটনার জন্য ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঠিক নয়। প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পেছনে সরকারের লাখ টাকার বেশি খরচ হয়। সরকারের টাকায় কেউ বসে বসে খারাপ কাজ করবে এটা হতে দেওয়া হবে না।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ফেনী নদীর পানি নিয়ে চুক্তি প্রসঙ্গে সাংবাদিকের এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘ফেনী নদী বাংলাদেশ-ভারতের সীমনান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। আর কোনো নদী সীমান্তবর্তী এলাকায় হলে, সে নদীর পানিতে দুই দেশেরই অধিকার আছে। আর আমরা তো সব পানি দিয়ে দিচ্ছি না।’

প্রসঙ্গত, গত ৩ থেকে ৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে ভারত যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)-এর ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশে তিনি ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন শেখ হাসিনা।