Templates by BIGtheme NET
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
জহুরবারুতে ইন্ডিয়ান চেম্বারের সঙ্গে হাইকমিশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জহুরবারুতে ইন্ডিয়ান চেম্বারের সঙ্গে হাইকমিশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি::
মালয়েশিয়ার জহুরবারু ইন্ডিয়ান চেম্বারের সঙ্গে হাইকমিশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহ. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ১১ অক্টেবর চেম্বারের কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট তানশ্রি ড. কেনাথ ইশওয়ারান ও সেক্রেটারি জেনারেল দাতুক কে কৃষনামসহ চেম্বারের ৪০ জন সদস্য আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (লেবার২) হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) রাজিবুল আহসান ও প্রথম সচিব (পলিটিকাল) রুহুল আমিন।

চেম্বারের আলোচনায় উঠে আসে বর্তমান সরকারের অধীনে বাংলাদেশের উন্নয়ন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে যা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। এই অগ্রগতিতে বিদেশী বিনিয়োাগকারীদের বিনিয়োগের উত্তম পরিবেশ বিরাজ করছে। বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়নের সুষম নীতির ফলে আর্থসামাজিক উন্নয়ন সংঘটিত হচ্ছে যা এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম। সরকারের নীতির ফলে মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই আই এর ফলে উন্নত মানের পণ্য ক্রয়ের ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে উত্তম পণ্য কেনার মতো কয়েক কোটি ক্রেতা আছে যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়াও মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে সাধারণ নাগরিকের ভালো পণ্য ক্রয় ক্ষমতা রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে এই মুহূর্তে একটি বৃহত্তর মার্কেট সেখানে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের লাভজনক সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ এ মুহুর্তে মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগ হয়েছে যা পূর্ববর্তী যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। এসব বিনিয়োগের ফলে বাংলাদেশের জিডিপি এ মুহূর্তে ৮.১৩% অবস্থান করছে যা দ্রুতগতির জিডিপি হিসেবে স্বীকৃত।

বিদেশি বিনিয়োগের শতভাগ সুরক্ষা রয়েছে। সরকার একশটিরও বেশি স্পেশাল ইকোনমিক জোন করেছে যেখানে বিনিয়োগকারীরা স্পেশালি বিনিয়োগ করতে পারে।

দাতু গুনাহ লাম বলেন, তিনি বছরের অধিকাংশ সময় বাংলাদেশে থাকেন ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সেখানকার মানুষ অত্যন্ত অতিথিপরায়ন। বাংলাদেশের ভেজিটেবল বাংলাদেশের সিরামিক গার্মেন্টস পাটপণ্য এছাড়াও অনেক অপ্রচলিত পণ্য আছে যেগুলোতে বিনিয়োগ করে লাভবান হওয়া যায় এই পণ্যগুলো বিদেশে রপ্তানি করে।

চেম্বারের সেক্রেটারি জেনারেল দাতুক কে কৃষনাম বলেন, বাংলাদেশে শোকেস করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এ ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য জহুর বারুকে পছন্দ করে নেওয়ার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।

হাইকমিশনার মহ.শহীদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার প্রয়াস এর অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রদেশে শোকেস বাংলাদেশ আয়োজন করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে জহুরবারুতে নভেম্বর মাসে শোকেস বাংলাদেশ অনুষ্ঠান করা হবে। যেখানে ইন্ডিয়ান চেম্বার এবং চাইনিজ চেম্বার সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

এছাড়াও অন্যান্য বিজনেস কমিউনিটি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে জহুরবারুতে এক উন্নত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি প্রদর্শন করা হবে। যেখানে মালয়েশিয়ার এবং বাংলাদেশের মন্ত্রীগণ স্পেশালিস্ট এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন।